ঢাকা ০১:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিআরটিএ প্রতিবছর ৯০০ কোটি টাকা ঘুষ লেনদেন টিআইবির প্রতিবেদন।

এস এম সজল/ব্যতিক্রম নিউজ।
  • আপডেট সময় : ০৫:৫১:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ ২০২৪ ১২১ বার পড়া হয়েছে

অতি সম্প্রতি টিআইবি অর্থাৎ ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এক গবেষণা প্রকাশ করে এতে জানা যায়, নিবন্ধন ও সনদ হালানাগাদে ৫২ শতাংশ বাস কে ঘুষ দিতে হয়। আর এই ঘুষের লেনদেনে বিআরটিএ এ বছর ৯০০ কোটি টাকা ঘুষ আদায় করে।

বুধবার ৬ই মার্ চ এক সম্মাদ সম্মেলনে বিআরটিএ এর চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার ঢালা ওভাবে প্রতিবেদনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন। এবং এ বিষয়ে টিআইবির ব্যাখ্যা তিনি দাবি করেন।

৭ মার্চ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে টিআইবি বলেছে বাস্তবতা আমলে নিয়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করার পরিবর্তে সত্যকে তারা অস্বীকার করেছে। এই দৃষ্টান্ত অনিয়ম এবং দুর্নীতিকে আরো বেশি আশ্রয় এবং প্রশ্রয় প্রদান করবে। এতে আরো জানানো হয় এই গবেষণাটি সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা প্রতিষ্ঠিত নীতি অনুসরণ করে ব্যক্তি মালিকানাধীন বাস পরিবহন ব্যবসার সঙ্গে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট সরকারি বেসরকারি বর্তমান সাবেক কর্মীসহ নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি সেবা গ্রহীতা বিশেষজ্ঞ গণমাধ্যম কর্মীদের কাছ থেকে গুণগত ও পরিমান গত তথ্য সংগ্রহ করে বিশ্লেষণের উপর ভিত্তি করে সম্পন্ন করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের ৬৪ জেলা থেকে ৩২ টি জেলা প্রতিনিধিত্বশীল নমুনায়নের মাধ্যমে নির্বাচন করে জরিপের তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিআরটিএ প্রতিবছর ৯০০ কোটি টাকা ঘুষ লেনদেন টিআইবির প্রতিবেদন।

আপডেট সময় : ০৫:৫১:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ ২০২৪

অতি সম্প্রতি টিআইবি অর্থাৎ ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এক গবেষণা প্রকাশ করে এতে জানা যায়, নিবন্ধন ও সনদ হালানাগাদে ৫২ শতাংশ বাস কে ঘুষ দিতে হয়। আর এই ঘুষের লেনদেনে বিআরটিএ এ বছর ৯০০ কোটি টাকা ঘুষ আদায় করে।

বুধবার ৬ই মার্ চ এক সম্মাদ সম্মেলনে বিআরটিএ এর চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার ঢালা ওভাবে প্রতিবেদনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন। এবং এ বিষয়ে টিআইবির ব্যাখ্যা তিনি দাবি করেন।

৭ মার্চ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে টিআইবি বলেছে বাস্তবতা আমলে নিয়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করার পরিবর্তে সত্যকে তারা অস্বীকার করেছে। এই দৃষ্টান্ত অনিয়ম এবং দুর্নীতিকে আরো বেশি আশ্রয় এবং প্রশ্রয় প্রদান করবে। এতে আরো জানানো হয় এই গবেষণাটি সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা প্রতিষ্ঠিত নীতি অনুসরণ করে ব্যক্তি মালিকানাধীন বাস পরিবহন ব্যবসার সঙ্গে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট সরকারি বেসরকারি বর্তমান সাবেক কর্মীসহ নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি সেবা গ্রহীতা বিশেষজ্ঞ গণমাধ্যম কর্মীদের কাছ থেকে গুণগত ও পরিমান গত তথ্য সংগ্রহ করে বিশ্লেষণের উপর ভিত্তি করে সম্পন্ন করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের ৬৪ জেলা থেকে ৩২ টি জেলা প্রতিনিধিত্বশীল নমুনায়নের মাধ্যমে নির্বাচন করে জরিপের তথ্য সংগ্রহ করা হয়।